বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা সাইফ আলী খান রোববার (১৬ আগস্ট) ৫৬ বছরে পা রাখলেন। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে দিল চাহতা হ্যায়, ওমকারা, লাভ আজ কাল ও তানহাজিসহ নানা চলচ্চিত্রে ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও ফিটনেস সচেতন জীবনযাপনের জন্যও পরিচিত এই অভিনেতা।
অনেক তারকা যেখানে কঠোর ও জটিল ডায়েট মেনে চলেন, সেখানে সাইফের খাদ্যাভ্যাস বেশ সাধারণ ও ঘরোয়া। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সুস্থ থাকতে বিলাসবহুল খাবার বা কঠোর ডায়েটের প্রয়োজন নেই; বরং নিয়মিত ও পরিমিত খাবারই যথেষ্ট।
সাইফ বলেন, দিনের বেলায় তিনি তুলনামূলক হালকা ও নিরামিষ খাবার খেতে পছন্দ করেন, আর রাতের খাবারে রাখেন আমিষ পদ। তার দিনের শুরু হয় ডিম ও টোস্ট দিয়ে। দুপুরের খাবারে সাধারণত থাকে সবজি, ভেন্ডি, ডাল, গাজর-মটর এবং একটি রুটি। মাঝে মাঝে তিনি মাছ-ভাতও খেয়ে থাকেন।
অভিনেতার ভাষায়, ‘আমি দুপুরে একটু স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে পছন্দ করি। সকালে ডিম ও টোস্ট খাই। দুপুরে সাধারণত সবজি, ভেন্ডি, ডাল, গাজর-মটর ও একটি রুটি থাকে। সব মিলিয়ে খুবই সাধারণ খাবার। কখনো কখনো মাছ-ভাতও খাই।’
শুটিংয়ের সময় খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিনি ব্যক্তিগত রাঁধুনির সাহায্য নেন বলেও জানান। তার মতে, চলচ্চিত্রের সেটে পাওয়া খাবার সব সময় স্বাস্থ্যকর হয় না। তাই সম্ভব হলে বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে যাওয়াই তার পছন্দ।
এ প্রসঙ্গে সাইফ বলেন, ‘ফিট থাকতে চাইলে অনেক সময় ইউনিটের খাবার এড়িয়ে চলতে হয়। তাই শুটিংয়ে আমি সাধারণত বাড়ির খাবার সঙ্গে নিয়ে যাই। তবে বিদেশে শুটিং বা ভ্রমণের সময় সেটে পাওয়া দেশি খাবার সব সময় ডায়েটের জন্য উপযোগী হয় না।’
ভালো খাবার পছন্দ করলেও ভারী ও অতিরিক্ত সমৃদ্ধ খাবার খুব একটা খান না তিনি। সন্ধ্যায় মাঝে মাঝে কাবাব খেলেও বেশিরভাগ সময় ডায়েটভিত্তিক খাবারেই ভরসা রাখেন।
খাওয়া-দাওয়া নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সাইফ বলেন, ‘আমি মূলত বেঁচে থাকার জন্য খাই। খাবার আমার জীবনের প্রধান আকর্ষণ নয়। ফিট থাকতে হবে বলেই আমরা সাধারণ খাবার খাই। এমনকি পাতৌদিতেও আমি ও কারিনা খুবই সাধারণ খাবার খেয়ে থাকি।’
কাজের ক্ষেত্রে সাইফ আলী খানকে পরবর্তী সময়ে অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘হাইওয়ান’ চলচ্চিত্রে দেখা যাবে।


